দাঁতের ফিলিং কত প্রকার - দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়

বর্তমানে দাঁতের সমস্যায় ভুগছেন না এমন লোক কমই রয়েছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় সকল বয়সী মানুষেরই দাঁতের নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। দাতে ব্যাকটেরিয়ার ফলে যে গর্ত সৃষ্টি হয় তা ভরাট করার জন্য দাতে ফিলিং করা হয়। আমরা অনেকেই জানিনা দাঁতের ফিলিং কত প্রকার? এবং দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়?

দাঁতের ফিলিং কত প্রকার - দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়

আমাদের দাঁতের যত্ন নেওয়ার জন্য, দাঁতে গর্ত হলে করণীয় কি? সেই সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। এছাড়াও আরো জানা প্রয়োজন দাঁতে পোকা হলে করণীয় কি? আজকের এই পোস্টে আপনি সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। সবকিছু জানতে হলে পোস্টটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

পোস্ট সূচীপত্রঃ

দাঁতের পুডিং কি

দাঁত ভেঙে গেলে বা ক্যাভিটি দ্বারা গর্ত তৈরি হলে, দাঁতের সেই গর্তকে পূরণ করার জন্য বা ভরাট করার জন্য যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে দাঁতের পুডিং বলে। আর পুডিং লাগিয়ে দাঁতের গর্ত পূরণ করাকে বলা হয় ফিলিং করা। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দাঁত ক্ষয় হয় এবং দাঁতে ছোট ছোট গর্ত সৃষ্টি হয়, এই গর্ত পূরণ করার জন্যই দাঁতে ফিলিং করা হয়।

দাঁতে গর্ত হলে করণীয়

দাঁতের ব্যথায় ভুগেন না এমন মানুষ হয়তো খুব কমই রয়েছেন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সী মানুষ দাঁতের ব্যথায় ভুগে থাকেন। দাঁতে ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, পোকা হওয়া ও ছোট ছোট গর্ত হওয়া এই ধরনের সমস্যাগুলো এখন কমন বিষয়। দাঁতে গর্ত হলে যে কি পরিমাণ যন্ত্রণা হয়, তা শুধু ওই ব্যক্তি জানে যার দাঁতে গর্ত রয়েছে।

দাঁতের শক্ত জায়গায় যে ছোট গর্ত তৈরি হয়, সেগুলোকে ক্যাভিটি বলে। এটি মূলত ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। প্রায় প্রতিভার খাওয়ার পরে দাঁত পরিষ্কার করতে হবে। দাঁতে ক্যাভিটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি চিকিৎসা না নেওয়া হয়, তাহলে দাঁতের ক্ষয় বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং দাঁত অকেজো হয়ে যায়।

দাঁতে গর্ত হলে বা ক্যাভিটি হলে কিছু নিয়ম মেনে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়। চলুন জেনে নিই কিভাবে দাঁতের যত্ন নেবেন-

  • ক্যাভিটি দূর করতে লবঙ্গ অনেক উপকারী। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ক্যাভিটি ছড়াতে দেয় না।
  • মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খাবেন। মিষ্টি খাবার দাঁতের সব থেকে বেশি ক্ষতি করে।
  • তিল বা নারিকেল তেল ১০ মিনিটের মতো দাঁতে লাগিয়ে রাখুন। তারপর কুলকুচি করে ধুয়ে ফেলুন। ক্লিনিকাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, তিলের তেল দিয়ে এটা করলে প্লাক, জিঞ্জিভাইটিস এবং মুখের ব্যাকটেরিয়া কমায়।
  • নিম কাঠি দিয়ে অনেকেই দাঁত মাজেন, যা দাঁত ভালো রাখে। নিমে থাকা ফাইবার দাঁতে প্লাক হতে দেবে না। কয়েকটা নিমপাতা চিবিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তেতো স্বাদের জন্য নিম অনেকে পছন্দ না করলেও এটা ক্যাভিটি সারাতে খুব ভালো কাজ করে।
  • ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবু জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। ক্যাভিটি থেকে যন্ত্রণা হলে সেটিও সরিয়ে তোলে লেবু। মুখে এক টুকরো লেবু নিয়ে চিবোতে থাকুন। এর পর কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করুন।
  • আপনার খাওয়া খাবার থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সংগ্রহ করতে সাহায্য করে ভিটামিন ডি। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি ক্যাভিটির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে।

দাঁতে পোকা হলে করণীয়

দাঁতে পোকা হওয়া বাচ্চাদের একটি কমন বিষয়। ছোটবেলা থেকেই বড়রা বলতো বেশি চকলেট খেলে দাঁতে পোকা বেশি হয়। কিন্তু কে শুনে কার কথা। ছোটবেলায় তো ওই একটি মাত্র খাবারই ছিল প্রিয় খাবার আর সেটি খেতে যদি বারণ করে তাহলে কি মন মানে। বর্তমানে বয়স্ক, বৃদ্ধদের প্রায় সব বয়সী মানুষেরই দাতে পোকা দেখা দিচ্ছে।

দাঁতে দৃশ্যমান কোনো পোকা থাকে না। এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ডেন্টাল ক্যারিজ বা দাঁতের ক্ষয় রোগের জন্য দায়ী। সাধারণত যে কোনো ধরনের মিষ্টি খাবার, চিনিযুক্ত খাবার, চকলেট, চুইংগাম, ক্যান্ডি ইত্যাদি খাওয়ার পর মুখে এক ধরনের অ্যাসিড তৈরি হয়, যা ধীরে ধীরে দাঁতের ওপরের শক্ত আবরণ ‘অ্যানামেল’ ক্ষয় করে থাকে।

দাঁতে পোকা হলে করনীয় কি চলুন সে সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই-

দাঁতে যদি পোকা বা গর্ত দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে তাদের শূন্য জায়গা ভর্তি বা ফিলিং করে নেওয়া উচিত। ডেন্টাল ক্যারিজ যদি ধীরে ধীরে ডেন্টিন থেকে আরও গভীরে অর্থাৎ পাল্প চেম্বার পর্যন্ত চলে যায়, তবে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায়। চিকিৎসাব্যবস্থাও জটিল হয়ে পড়ে।

ডেন্টাল ক্যারিজ প্রতিরোধে ব্যালেন্সড ফ্লোরাইড টুথপেস্ট দিয়ে প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করতে হবে। তা ছাড়া এমন টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে যা অ্যানামেল রিপেয়ার করে। চিনিযুক্ত পানীয় বা আঠালো খাবার, অযুক্ত খাবার, কফি ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে বা খাওয়ার পর কুলি করে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

শুধু ব্রাশ করলেই হবে না, সুতা বা ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত, বছরে অন্তত দুবার নিবন্ধিত ডেন্টাল সার্জন দ্বারা দাঁত পরীক্ষা করাতে হবে।

দাঁতের ফিলিং কত প্রকার

দাঁতের ফিলিং হচ্ছে এমন এক ধরনের সিমেন্ট জাতীয় জিনিস। যেটি আমাদের দাঁতের শক্ত যে আবরণটি রয়েছে সেটি যদি কোন কারণে যদি নষ্ট হয়ে যায় বা ক্ষয় হয়ে যায় সেটিকে আবার পুনরায় আগের অবস্থায় আনতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সেটি মূলত ফিলিং। মূলত আপনার দাঁতের কোন অংশ এবং কতটুক ক্ষয় হয়েছে সেই বিষয়ের উপর নির্ভর করে ফিলিং করা হয়।

দাঁতের ফিলিং মূলত দুই ধরনের বা দুই প্রকার হয়ে থাকে।

অস্থায়ী ফিলিংঃ অস্থায়ী ফিলিং বলতে আমরা সাধারণত জিংক অক্সাইড ফিলিং টাকে বুঝে থাকি। এই ফিলিং টি সাধারণত সাধারণের দেখতে হয় আবার অনেক জন এটি চুনের মত দেখতে বলে থাকে। এই ফিলিং টি সাধারণত আমাদের দেশে অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। যাদের দাঁতে ছোট গর্ত হয়েছে এবং হালকা দাঁত সিরসির করে তাদের সাধারণত এই ফিলিং টি করা হয়।

স্থায়ী ফিলিংঃ স্থায়ী ফিলিং বলতে আমরা এস ডি আই এডমিক্স ফিলিং কে বুঝি। এই ফিলিং টি অনেক টেকসই এবং শক্ত। দাঁতের গর্তে এই ফিলিং টি ৫ থেকে ১০ বছর থাকলেও তেমনভাবে ক্ষয় হয় না। স্থায়ী ফিলিং কে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

  • অ্যামালগাম ফিলিংঃ এটি মূলত সিলভার রঙ্গের হয়। এটি একটি শক্তিশালী এবং স্থায়ী ফিলিং। যা দাঁতে করা হয় এবং এটি সিলভার ভঙ্গের হয়ে থাকে। তবে এই ফিলিং এ মার্কারি থাকে যার ফলে ডাক্তাররা এখন এটি ব্যবহার করেন না।
  • জিআই ফিলিংঃ এই ফিলিং এর রং অনেকটা সাদা, এটা প্রায় দাঁতের সাথে মিলেই যায়। এটি অনেক শক্তিশালী এবং স্থায়ী ফিলিং। এটি মূলত দাঁতের ক্যাভিটি তৈরি হওয়ার জন্য যে ব্যাকটেরিয়া কাজ করে তার বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং নতুন ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হতে দেয় না। এই ফিলিং দাঁতের শিশিরানি ভাবটাও দূর করে।
  • কম্পোজিট ফিলিংঃ এটি মূলত বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ভালো এবং মজবুত ফিলিং। এই ফিলিং অনেক স্থায়ী হয়। এটি একদম হুবহু দাঁতের রঙের হয়। আপনি চাইলে অন্যের রং হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। এই ফিলিং করা থাকলে আপনি বুঝতেও পারবেন না যে আপনার দাঁতে ফিলিং করা রয়েছে। এই ফিলিং এর দ্বারা দাঁতের শিশির অনুভূতি দূর হয়ে যায়।

দাঁতের ফিলিং এর খরচ কত

দাঁতের ফিলিং খরচ কত হতে পারে এ ব্যাপারে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। ক্লিনিক এবং ডাক্তার ভেদে দাঁতের ফিলিং এর খরচ ভিন্ন হতে পারে। আবার দাঁতের ফিলিং এর মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি উন্নতমানের ফিলিং করেন সেক্ষেত্রে এক ধরনের খরচ। আর যদি আপনি তুলনামূলক নিম্নমানের ফিলিং করান তাহলে আরেক ধরনের খরচ পড়বে।

তাছাড়া অস্থায়ী ফিলিং এর খরচ স্থায়ী ফিলিং এর খরচ এর চেয়ে কম। যদি আপনি স্থায়ী ফিলিং করে নেন তাহলে খরচ কিছুটা বেশি পড়বে। যাই হোক দাঁতের ফিলিং খরচ সাধারণত ১৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

দাঁত ফিলিং এর পার্শপ্রতিক্রিয়া

দাঁতে ফিলিং করার ফলে কি ক্ষতি হচ্ছে তা কি আপনি জানেন। যদি না জেনে থাকেন তাহলে এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন। আমরা একটা সমস্যা দূর করতে গিয়ে দশটার সমস্যার সম্মুখীন হই। যাতে ফিলিং করা যে কতটা ক্ষতিকর হতে পারে তা তো আমরা কখনো ভাবিই না। দাঁত ফিলিং এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কি জেনে নিন-

যে অ্যামালগাম দিয়ে দাঁত ফিলিং করানো হয়, তাতে রয়েছে পারদ, রুপা, টিন এবং আরও বেশ কিছু ধাতু। দাঁত ফিলিংয়ের জন্য যে অ্যামালগাম ব্যবহার করা হয়, তাতে বেশি মাত্রায় মিথাইল পারদ খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। গবেষকদের দাবি, এই পারদ বেশিমাত্রায় শরীরে ঢুকলে বিপদ অনিবার্য। মারাত্মক ক্ষতি করে মস্তিষ্ক, হার্ট, কিডনি, ফুসফুসের। কমিয়ে দেয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তবে একবার কি দুবার দাঁত ফিলিং করালে সমস্যা নেই।

আটবারের বেশি ফিলিং করালে যে পরিমাণ পারদ রক্তে মেশে, তাতেই বিপদ বেড়ে যায় প্রায় ১৫০ শতাংশ। এমনটাই জানাচ্ছেন গবেষকরা। এর বিকল্প কী? গবেষকরা বলছেন, পারদহীন কম্পোজিট রেসিনস দিয়ে দাঁত ফিলিং করানো যেতে পারে।

দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়

দাঁতে ফিলিং করা কি তা আপনারা ইতিমধ্যে বুঝেই গেছেন। তারপরেও আবারও বলি, দাঁতে ব্যাকটেরিয়া লাগার ফলে যে ক্যাভিটি বা ছোট ছোট করতো তৈরি হয়, সেই গর্ত পূরণ করার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সেই পদ্ধতিকে বলা হয় দাঁতের ফিলিং করা। এখন অনেকেই জানতে চান দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়? চলুন তাহলে জেনে নেই দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয়-

দাঁত ফিলিং করার আগে সর্বপ্রথম যে দাঁত ফিলিং করা হবে সেই দাঁতটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর দাঁতের ভেতরে গর্তের মধ্যে জমে থাকা ময়লা গুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

এরপর সেখানে ডাক্তার দেখেশুনে অস্থায়ী ফিলিং করে দেয়। অস্থায়ী ফিলিং করে দেওয়ার পর সেখান থেকে রোগীকে বাসায় পাঠিয়ে দিয়ে দেয় এবং রোগীকে আবার ফিলিং করার দুই থেকে তিনদিন পরে আসতে বলে তারপর অস্থায়ী ফিলিং তুলে স্থায়ী ফিলিং করে দেয়।

স্থায়ী ফিলিং করার জন্য ঠিক আগের মতই দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং দাঁতের গর্তে ফিলিং করার মেটেরিয়ালস গুলো সুন্দরভাবে লাগিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে কিছু সময়ের মধ্যেই ফিলিং করা হয়ে যায়।

দাঁতের ফিলিং করার কত বছর স্থায়ী

দাঁতের ফিলিং করার কত বছর স্থায়ী হয়? সেই বিষয়টি আপেক্ষিক। আপনি যদি ভাল মানের ফিলিং করেন তাহলে অধিক সময় লাস্টিং করবে। কিন্তু আপনি যদি ভাল মানের দাঁতের ফিলিং না করেন তাহলে কিন্তু অল্প কিছুদিন পরেই ফিলিং উঠে যেতে পারে।

ভালো মানের ফিলিং করলে সাধারণত পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত একটি ফিলিং অক্ষত থাকতে পারে। দাঁতের পুডিং কি? দাঁতে গর্ত হলে করণীয়? দাঁতে পোকা হলে করণীয়? দাঁতের ফিলিং কত প্রকার? দাঁতের ফিলিং এর খরচ কত? দাঁত ফিলিং এর পার্শপ্রতিক্রিয়া? দাঁতের ফিলিং কিভাবে করা হয় এ বিষয়গুলো সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

SM TECHY এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url